শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী ২০২২, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
Logo বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষে সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক ভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী অবস্থানে পৌছেছেন,সাবেক সফল ছাত্রনেতা রাজীব এর হাত ধরেই। Logo সাভার ইউনিয়নের টিকা কার্যক্রম উদ্ধোধনঃ Logo সাভার পৌরসভাধীন ১,২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের “কোভিড-১৯” টিকাদান কর্মসূচিঃ Logo অস্ট্রেলিয়ার সাথে সিরিজ জয়ী বাংলাদেশ দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান জননেতা জনাব ফখরুল আলম সমর। Logo বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন! Logo সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মিসেস হাসিনা দৌলা করোনায় আক্রান্ত Logo কোভিড-১৯ ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে প্রধানমন্ত্রীর উপহার তুলে দেন সমর চেয়ারম্যান। Logo আওয়ামীলীগের ৭২ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালন করেছে শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। Logo কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ,সার ও ৫০% ভর্তুকিতে পিক-আপ ভ্যান বিতরণ। Logo সাভারে আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষে সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক ভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী অবস্থানে পৌছেছেন,সাবেক সফল ছাত্রনেতা রাজীব এর হাত ধরেই।

সাভারকণ্ঠ ডেস্ক / ৪০ বার পঠিত
আপডেট : শুক্রবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২১, ১১:৫৭ অপরাহ্ণ

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষের বিজয় দিবসে

সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগ

সাংগঠনিক ভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী অবস্থানে পৌছেছে,

সাবেক সফল ছাত্রনেতা রাজীব এর হাত ধরেইঃ

বঙ্গবন্ধুর আদর্শ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন
ও প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ তথা সাভারের রাজনীতিতে
মঞ্জুরুল আলম এর অবদান অনস্বীকার্য।

মঞ্জুুরুল আলম রাজীব,সাভারের ইতিহাসে একটি ব্রান্ড, নেতা তৈরির একটি কারখানা, সাভারের আওয়ামী রাজনীতির সিংহপুরুষ,তরুন প্রজন্মের আইকন।

রাজীব এর পদ-পদবী, লাগে না।
রাজীব নেতা তৈরি করে, পরিচর্যা ও লালন করে।

অনেকের মতো আমারও কথা,
মঞ্জুরুল আলম রাজীবের ত্যাগ আর নিরলস পরিশ্রমের ফল হিসাব করলে বা মূল্যায়ন করতে গেলে তার আজকে ” সংসদ সদস্য” থাকার কথা ছিলো।

দীর্ঘ ১যুগ আভ্যন্তরীন রাজনীতিতেও তাকে কোনঠাসা,
পদ পদবী বিহীন করে রাখা হয়েছিলো, যেখানে অন্যরা ঠিকই যোগসাজশে যার যার রাজনীতি চলমান রেখেছিলো, সকলের বিষফোড়া একজন রাজীব-ই ছিলো- রাজনৈতিক বিশ্লেষনে সেই চিত্র সুস্পষ্ট।

১৯৭১ সালের ১লা জানুয়ারি সাভার উপজেলাধীন তেতুঁলঝোড়া ইউনিয়ন এর হেমায়েতপুর গ্রামের এক
সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন, রাজীব।

পিতাঃ
মরহুম আলহাজ্ব ওয়াসিল উদ্দিন,
দৈনিক সংবাদ পত্রিকার প্রথিতযশা সাংবাদিক।

মাতাঃ
শামসুন্নাহার।

বড় ভাইঃ
জাহাঙ্গীর আলম, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগ এবং, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি -জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

ছোট ভাইঃ
ফখরুল আলম সমর,
সাবেক সভাপতি, ঢাকা জেলা ছাত্রলীগ।
চেয়ারম্যান -তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদ।

চার ভাই আর তিন বোনের মধ্যে মঞ্জুরুল আলম রাজীব পঞ্চম, ছোটবেলা থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত মঞ্জুরুল আলম রাজীব আওয়ামীলীগের কোন সভা সমাবেশের কথা শুনলে বন্ধুদের নিয়ে ছুটে চলে যেতেন সেখানে। প্রাণ ভরে শুনতেন বঙ্গবন্ধু আর আওয়ামীলীগের কথা।

সেই থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনের পথচলা শুরু। দীর্ঘ আন্দোলন আর সংগ্রামের পাশাপাশি নানান ঘাত প্রতিঘাত আর চড়াই উৎরাই পার করে আজ তিনি দেশের সর্বাধিক ভোটার সমৃদ্ধ এলাকা সাভার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান।

জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুর পর সাভারে সর্ব প্রথম তার নেতৃত্বে প্রতিবাদী সমাবেশ
আর মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

ছাত্রলীগের প্রতি ভালোবাসার কারনে, স্কুল জীবন তথা আশির দশকে হাতে খড়ি ছাত্র রাজনীতির।
সাভার ইউনিয়ন ছাত্রলীগ ও পৌর ৪ নং ওয়ার্ড থেকেই ছাত্রলীগ এর রাজনীতির শুরু।

(১৯৮৮ – ১৯৯০) স্বৈরচার বিরোধী আন্দোলনে সাভার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সভাপতি হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা রেখে ছাত্রদের অধিকার আদায়ে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালনের মাধ্যমে ছাত্রদের কাছে প্রিয় পাত্রে পরিণত হন।

(১৯৯০-১৯৯১)সাভার উপজেলা ছাত্রলীগ এর সফল সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৯১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাভার উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী তৎকালীন ঢাকা জেলা আওয়ামীলীগের সংগ্রামী সভাপতি সামসুজ দোহা খান মজলিশে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির অন্যতম সদস্য হিসেবে সফলতার সাথে
দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নৌকা প্রতীকের পক্ষে, নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেন।

তৎকালীন সময়ে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন সংগ্রামে মঞ্জুরুল আলম রাজীবের আগমনের অপেক্ষায় থাকতো স্থানীয় কমিটির সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা,তার উপস্থিতিতেই রাজপথে শুরু হয় মিছিল আর সমাবেশ।

জাতীয় সংসদ এর ১৯৯১ সালের নির্বাচন পরবর্তী সময়ে খালেদা জিয়া সরকারের রোষানলে পড়ে সাভারের ইতিহাসে নির্মম আর নিষ্ঠুর নির্যাতনের স্বীকার হন। সে সময় সরকারের আতঙ্কের নাম হয়ে ওঠে মঞ্জুরুল আলম রাজীব যার কারণে মিথ্যা আর ষড়যন্ত্রের মামলার স্বীকার হন তিনি।
পাশাপাশি অন্যান্য নেতা কমীদের উপরও নিষ্ঠুরতার লেলিহান শিখা প্রজ্জলিত হতে থাকে (আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীর উপর)।

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভানেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার ডাকে খালেদা নিজামীর সরকারের দু:স্বাশনের আন্দোলন সংগ্রাম, রাজপথে চালিয়ে যান রাজীব।

এর পাশাপাশি সাভার বিশ্বাবিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত অবস্থায় ক্যাম্পাসের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে অগ্রণী ভূমিকা রাখায় ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেন তিনি।

পরবর্তীতে তাদের দাবির প্রেক্ষিতে সাভার বিশ্বাবিদ্যালয় কলেজে অনুষ্ঠিতব্য ১৯৯৩ সালে ছাত্র-ছাত্রী সংসদ সাকসু নির্বাচনে নানা নাটকীয়তার, ষড়যন্ত্রের পরও নির্বাচন করে বিপুল পরিমাণ ভোটে বিজয়ী হন তিনি। বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীকে ভিপি নির্বাচনে উপস্থিত থাকার অনুরোধ করেছিলো রাজীব, নির্বাচন বানচাল প্রতিহত করতে।
(১৯৯৩-১৯৯৪) অব্দি ভিপি হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন এবং ভিপির দায়িত্ব পালন করেন অত্যন্ত সফলতার সাথে।

দলের দুর্দিনে শেখ হাসিনার ডাকে রাজপথে নেমে খালেদা জিয়ার সরকারের অপসারণের জন্য কাজ করেন তিনি দলের সিনিয়র নেতাদের নিয়ে। এ সময় জেল জুলুমের স্বীকারও হতে হয় তাকে।

দলে সাহসী ভূমিকা রাখার দরুণ ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ঢাকা জেলার সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অণুপ্রাণিত হয়ে জেল জুলুম আর হুমকি মাথায় নিয়ে চালিয়ে যান আন্দোলন আর সংগ্রাম। ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত ঢাকা জেলার ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। তার নেতৃত্বে ঢাকা জেলা ছাত্রলীগ হয়ে উঠে আরো বেগবান ও সুশৃঙ্খল দল।

২০০১ সালে বিএনপি আর জামাতের জোট সরকারের অপশাসনের বিরুদ্ধে রাজপথে থেকে ফের হামলা আর মামলা মোকাদ্দমায় স্বীকার হতে হয় তাকে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর আর প্রতিবাদী হুঙ্কারে খালেদা নিজামী সরকারের ঘুম হারামের কারণ হয়ে দাড়ায় মঞ্জুরুল আলম রাজীব। এর কারণে দেয়া হয় একাধিক মিথ্যা মামলা। প্রশাসনসহ ছাত্রশিবির ছাত্রদলের ক্যাডার বাহিনী দিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয় একাধিকবার।

সেসময় খালেদা জিয়া সাভারে জনসমাবেশ করলে, তার আগের দিন রাজীব কে গ্রেফতারের নির্দেশ, খালেদা জিয়া নিজে দিতেন, তারপর সাভার আসতেন।

এই হলো রাজীব।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে রাজীব সবসময়ই বলেন, আমি দলের স্বার্থে সব কিছু করতে পারি, এমনকি জীবন দিতে প্রস্তুত কিন্তু আদর্শ থেকে বিচ্যুত হতে পারবো না, কোনো দিন হইও নাই।

গত ৩০ বছরের অধিককাল যদি আমি আপনাদের সামনে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হই, তাহলে আপনাদের হৃদয় সিংহাসনের বিবেক নামের যে কষ্টিপাথর,সেই কষ্টিপাথরের পরীক্ষায় আমি যদি খাঁটিঁ সোনা হয়ে থাকি, তাহলে আমার পাশে সবসময় আপনারা থাকবেন।

রাজীব ভাই এর ভাষ্যমতে, তারা যখন ছাত্রলীগ করতো তখন কোনোদিন ভাবেননি বাংলাদেশ আওয়ামী-লীগ কোনদিন ক্ষমতায় আসবে। অনেকে আবার টিটকারী করে বলতো,যে দল কখনো ক্ষমতায় আসবো না,পাগলের মতো এই দল তুই করতে গেলি কেন ।

আবার কেউ কেউ কইতো গেঁদা তুই নাকি হিন্দুর দলে যোগ দিছোস?

রাজীব এর আত্মীয়-স্বজনরা তাকে সবসময়ই বলতো, তুই বিদেশ যাইতে পারস না, আর কত সহ্য করবি পুলিশি নির্যাতন, পুলিশ তো তোরে মাইরা ফালাইবো।

এরকমই ঘটেছিলো,রাজীব এর সাথে,বর্বরতার যুগে।
বিএনপি সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন তার উপর অমানবিক নির্মম নির্যাতনের সামান্য চিত্র তুলে ধরলাম।

রাজীব এর মা এর সামনে থেকে, তার পা বেধে পুলিশ ভ্যান এর পেছনে,গাড়ী দ্রুত গতিতে এই ঢাকা আরিচা মহাসড়ক দিয়ে নিয়ে টেনে-হেচড়ে তাকে,ক্ষত – বিক্ষত করা হয়েছিলো, রক্তাক্ত করা হয়েছিলো, অর্ধ -উলঙ্গ অবস্থায়, তারপর ঐ থানায় নিয়ে পা উপরের দিকে দিয়ে, মাথা নিচের দিকে দিয়ে তাকে বাধ্য করার চেষ্টা করা হয়েছিলো বিএনপিতে যোগ দেওয়ার জন্যে।

তখন সাভারের এমপি ছিলো, নিয়ামত উল্লাহ সাবু, তথ্য মন্ত্রী ছিলো ব্যারিষ্টার নাজমুল হুদা, বিজ্ঞান প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী ছিলো আমান উল্লাহ আমান, এদের যোগসাজশে বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে,
সাভারের একজন নেতার মাধ্যমে ঐ থানায় বারবার প্রস্তাব পাঠানো হচ্ছিল, এক্ষুনি তোমাকে সসম্মানে ছেড়ে দেয়া হবে, লোভনীয় পদ দেয়া হবে, তুমি ছাত্রদলে যোগ দাও।

শুধু তাই নয়, যখন শত চেষ্টা করে তারা ব্যর্থ হলো, এই সাভার থানায় তখন বাউন্ডারি ছিলো না, গরু চরতো সেখানে, সেইখান থেকে গোবর কুড়িয়ে, রাজীবকে খাইয়ে দেয়া হয়েছিলো, যা ঐ সময়ের সকল মিডিয়ায় প্রকাশ করা হয়েছিলো।

রাজীব সেই আওয়ামীলীগার।

ঐ প্রতিকূল পরিস্থতিতে রাজীব নিজেও বিশ্বাস করতো না,কোনোদিন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসবে। কিন্তু তার হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হতো একটি মানুষের জন্য, যে মানুষ এই বাঙ্গালীর মুক্তির জন্য, নিজের জীবন-যৌবন ধ্বংস করেছেন। যার চিন্তা ধ্যান ধারণা ছিলো বাঙ্গালী জাতির মুক্তি। সেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নির্মমভাবে হত্যার পর সেই দেশে তার বিচার হবে না এটা মেনে নিতে পারেনি।

সেই কারণে রাজীব যখন ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যোগ দিয়েছিলো সেসময় শ্লোগান দিতো,
আর কোনো দাবী নয় মুজিব হত্যার বিচার চাই।

সফলতার সাথে ঢাকা জেলার ছাত্রলীগকে একত্রিত করে ছাত্র সমাজের ভালোবাসা আর সংগঠনের প্রতি ভালোবাসার দরুণ জননেত্রী শেখ হাসিনা তাকে ২০০২ সালে বাংলাদেশে ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি নির্বাচিত করে, সফলতার সাথেই রাজীব ২০০৬ সাল অব্দি সেই দায়িত্ব পালন করেন।

ঐ সময়ে জামাত বিএনপির নির্যাতনের স্বীকার সাধারণ জনগণের ডাটা সংগ্রহ করে তার সচিত্র প্রতিবেদন নেত্রীর কাছে পেশ করেন তিনি।
পরবতীর্তে এই সমস্ত হৃদয় বিদারক ঘটনাবলী আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় আলোড়ন সৃষ্টি করে।

২০০৮ এর জাতীয় নির্বাচনের ঢাকা -২ এবং ঢাকা – ১৯ আসনে জননেত্রী শেখ হাসিনার মনোনিত প্রার্থীদের জয় যুক্ত করার লক্ষ্যে, বিপুল প্রচার প্রচারণা ও জনসমাগমে ব্যাপক কাজ করেন, রাজীব।

২০১৪ শেষ দিকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর সাভার উপজেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে মাধ্যমে সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগ এর যুগ্ন সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন,এসময় সাধারন সম্পাদক তার দায়িত্বে অবহেলা করায় একাধিক বার ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

২০১৭ সালে সাভার উপজেলা পরিষদ উপ- নির্বাচনে, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে নৌকা প্রতীকে দলীয় প্রার্থী নির্বাচিত হন।

২০১৯ সালে পুনরায় সাভার উপজেলা পরিষদ এর নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী হিসেবে, মাননীয় প্রধান মন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে নৌকা প্রতীকে দলীয় প্রার্থী হয়ে চেয়ারম্যান পদে জয় লাভ করেন।

২০১৯ সালের সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সাধারন সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন।

দায়িত্ব গ্রহনের পর সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটিকে পূর্নাঙ্গ রুপ দেন যাতে সকল শ্রেনী পেশার মানুষের সংযোজন করেন, তৃতীয় লিঙ্গের ও প্রতিনিধি হিসেবে একজনকে তুলে আনেন কমিটিতে। কমিটির সকল সদস্যকে পদ প্রাপ্তির চিঠি সহ সকলকে মুজিব কোর্ট উপহার দিয়ে জমকালো পরিচিতি সভা সম্পন্ন করেন সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগ।

২০২০ মুজিব বর্ষ নানা আয়োজনের মধ্যে শুরু হয়। এর মধ্যে সারা বিশ্বকে আক্রমণ করে করোনা ভাইরাস। সবাই যখন আতঙ্কিত তখন ও মঞ্জুরুল আলম রাজিব জনগনের পাশে। সরকারি ত্রান সহযোগিতার পাশা পাশি ব্যক্তি গত তহবিল থেকে ত্রান সহযোগিতা চলমান রেখেছেন।

২০২১ সালে সংগঠনকে শক্তিশালী করনে সাভার উপজেলাধীন প্রতিটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কমিটিগুলোকে পূর্নাঙ্গ রুপ দেন সন্মেলনের মাধ্যমে।

দীর্ঘ দিন পর সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগ সংগঠন হিসেবে সাংগঠনিক রুপে ফিরে এসেছে ছাত্রলীগের রাজীব এর হাত ধরে।

উপরোক্ত রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনায় অসংখ্যবার বিশেষ ক্ষমতা আইনে কারাবরন ও অমানুষিক নির্যাতন ভোগের নির্মম স্বীকার হন, রাজীব।

মোহাম্মদ সফিউল্লা সুজন,

সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী,
সরকার ও রাজনীতি বিভাগ,

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

Theme Customized By Theme Park BD